মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৬ August ২০১৫

বাংলাদেশ বেতার, খুলনা

দেশজ সংস্কৃতিকে উজ্জীবন, লালন ও প্রতিফলন এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়া শিল্পকর্ম ও শিল্পীদের সুসংহত করে প্রতিভার বিকাশ সাধনের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের ধ্বণি-বিস্তারের শুভ সূচনা। প্রচার ভবন ছাড়াই গল্লামারীর নির্জন এলাকায় স্থাপিত ১০ কিলোওয়াট শক্তিসম্পন্ন ট্রান্সমিটার ভবন থেকেই অনুষ্ঠান প্রচার ও প্রক্ষেপণ কর্ম শুরু হয়। উদ্বোধনের ঠিক নব্বই দিন পরেই আরম্ভ হয় স্বাধীনতা যুদ্ধ। একাত্তরের নয়মাসব্যাপি রক্তক্ষয়ী মুক্তি সংগ্রামে সারাদেশের উপর নেমে আসে বিভীষিকার কালো ছায়া। ১৬ই ডিসেম্বর ৭১ মানচিত্রে সংযুক্ত হলো আর একটি স্বাধীন দেশ-বাংলাদেশ। শুধু অতীতের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো বিধ্বস্ত প্রক্ষেপণ ভবনটি। রংপুর কেন্দ্র থেকে ১ কিলোওয়াট শক্তি সম্পন্ন একটি ট্রান্সমিটার এনে সংস্থাপনের ফলে ১৯৭৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি থেকে পুনরায় শুরু হলো ঢাকা থেকে অনুষ্ঠান সম্প্রচার। বেতার কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে ১৯৭৩ সালের ২৬শে মার্চ থেকে পঞ্চান্ন মিনিটের নিজস্ব অনুষ্ঠান প্রচার শুরু হয়। এর কিছু দিন পরে পঞ্চান্ন মিনিট থেকে নিজস্ব অনুষ্ঠান প্রচারের সময়সীমা চার ঘন্টায় উন্নীত করা হয় এবং এ সময় অনুষ্ঠানের শ্রুতি-পরিধি ছিল কেবল মাত্র ১০ মাইলের মধ্যেই। ১৯৭৪-৭৫ সালে ১০ কিলোওয়াট শক্তিসম্পন্ন একটি ট্রান্সমিটার সংস্থাপনের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭৬ সালের ১৯শে এপ্রিল-এর মাধ্যমে প্রচার শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রুতি-পরিধি বেড়ে ৩৫ মাইল হয়। কিন্তু তখন পর্যন্ত প্রচার ভবন নির্মিত হয়নি, যার ফলে কর্মী, কথক-শিল্পী এবং প্রকৌশলীদের প্রতিকুল অবস্থার মধ্যে কাজ করতে হয়েছে। এই অবস্থার নিরসনকল্পে বায়রায় একটি সর্বাধুনিক ব্রডকাস্টিং হাউজ গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। ১লা জুলাই ৭৯ তারিখে ৪টি স্টুডিও সম্বলিত নতুন প্রচার-ভবন থেকে অনুষ্ঠান প্রচার শুরু হয়। এটি হচ্ছে বাংলাদেশ বেতার কর্তৃক সর্বপ্রথম নির্মিত একটি পূর্নাঙ্গ বেতার ভবন। ১৯৮১ সালের ২৮শে এপ্রিল ১০০ কিলোওয়াট শক্তিসম্পন্ন ট্রান্সমিটার নওয়াপাড়ায় স্থাপিত হওয়ায় এ কেন্দ্রের শ্রুতির পরিধি প্রায় সমগ্র বাংলাদেশ ছড়িয়ে পড়ে আর সাথে সাথে বাড়ে অনুষ্ঠান প্রচারের সময়সীমা। বর্তমানে প্রতিদিন মধ্যম তরঙ্গে  ও এফ এম ৮৮.৮ মেগাহার্জ তরঙ্গে ৫০ ঘন্টা ৫০ মিনিট অনুষ্ঠান প্রচারিত হচ্ছে। এ কেন্দ্রের বিশেষ অনুষ্ঠানসমূহ হলো মুক্তির সৈনিক, স্মৃতি-৭১,  মুক্তধারা, বজ্রকন্ঠ, চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ, আবৃত্তি অনুষ্ঠান, বধ্যভুমি-৭১, ডেড লাইন-৭১, হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা আমার অহংকার। দৃষ্টিপাত, সিরাতুন মুস্তাকিম, স্বাস্থ্য বিচিত্রা, ছোট পরিবার, চাষাবাদ, কিশোর মেলা, যুব সম্ভার, ঘরোয়া


Share with :

Share with :

Facebook Facebook